How to deal with dandruff in young children

ছোট্ট শিশুদের মধ্যে খুশকির সাথে কীভাবে মোকাবিলা করা যায়?

শিশুদের বেড়ে ওঠার সময় তাদের মধ্যে ত্বকের সমস্যা দেখা যাওয়া সাধারণ একটি ঘটনা,এর কারণ হল তাদের ত্বক তখনও সংবেদনশীল হয় এবং তাদের চারপাশের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে থাকে।বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই,শিশুর ত্বকের কোন জায়গায় তারা আক্রান্ত করে তার উপর নির্ভর করে তার বিরক্তি এবং অস্বস্তি হতে পারে।খুশকি হল এমনই একটি ত্বকজনিত অবস্থা যা আপনার বাচ্চার মাথার ত্বকের উপর প্রভাব ফেলে।এটি হল অন্যতম একটি অত্যন্ত সাধারণ এবং ব্যাপক-বিস্তৃত সংক্রমণ যা শিশুদের মধ্যে হয়ে থাকে।

খুশকি কি?

খুশকি হল ত্বকের সমস্যার একটি হালকা রূপ যা সেবোরিহা ডার্মাটাইটিস নামে পরিচিত।এটি মাথার ত্বকের উপরের আঁশের ন্যায় স্তরে এবং মাঝেমধ্যে আবার এমনকি ভ্রু ও চোখের পাতের লোমের সাথেও জড়িত হয়।এতে ত্বকের আঁশ ওঠে এবং তারপর ছোট ছোট সাদা আস্তরণ হিসেবে আঁইশাকার স্তর দেখা যায়।যদিও খুশকি অক্ষতিকারক হয়ে থাকে,এটির কারণে লালচে ভাব এবং চুলকুনি হতে পারে।যদি খুশকিকে চিকিৎসা না করে ফেলে রাখা হয়,এটি চুল ঝরে যাওয়ার কারণ হয়ে উঠতে পারে।যদি আপনার বাচ্চার অত্যধিক পরিমাণে অস্বাভাবিক ভাবে চুল ঝরে যেতে থাকে তবে একজন ডাক্তারের সাথে দেখা করা নিশ্চিত করুন,কারণ অন্যান্য কিছু সমস্যার ক্ষেত্রেও এই একই উপসর্গ দেখা দিতে পারে।এই ধরণের একটি অবস্থা হল শিশুদের মধ্যে উকুনের উপদ্রব হওয়া।যদিও খুশকির চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন ওভার দ্য কাউন্টার প্রতিকারগুলি বাজারে সহজলভ্য,তবুও এর যেকোনও একটিকে নির্বাচনের আগে ডাক্তারী পরামর্শ গ্রহণের পরামর্শই আপনাকে দেওয়া হচ্ছে,কারণ বেশ কিছু চিকিৎসাই এক্ষেত্রে আপনার বাচ্চার মধ্যে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

শিশুদের খুশকি হওয়ার কারণসমূহ

আপনার বাচ্চার মাথায় খুশকি হওয়ার নানান কারণ আছে।সেগুলির মধ্যে অন্তর্ভূক্ত হলঃ

  • ফাঙ্গাসের বৃদ্ধিঃ ফাঙ্গাস ম্যালাসেসিয়ার কারণে মাথার ত্বকের উপর মৃত ত্বকের কোষগুলি অত্যধিক পরিমাণে স্খলিত হতে পারে।যখন এই কোষগুলি তৈল গ্রন্থিগুলি দ্বারা উৎপাদিত সেবামের সাথে মিশে যায়,তখন এটি খুশকি উৎপাদনের কারণ হয়ে ওঠে।
  • অতিরিক্ত শ্যাম্পু করাঃ খুব বেশী শ্যাম্পু ব্যবহারের ফলে মাথার ত্বকের সমস্ত প্রাকৃতিক তেলগুলি উধাও হয়ে যেতে পারে।এই কারণে ত্বক শুকনো হয়ে যায় যা পরিণামস্বরূপ খুসকিতে রূপান্তরিত হয়।ত্বকের উপর রাসায়নিকের প্রভাবের কারণে কখনও কখনও আবার ডার্মাটাইটিস বা চর্মরোগ হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়।
  • পর্যাপ্ত শ্যাম্পু না করার কারণেঃ মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি মৃত ত্বক,ময়লা এবং তেলকে খুব দ্রুত একত্রিত করে যা খুশকি সৃষ্টি করে।
  • ত্বকের অবস্থাঃ বেশ কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ত্বকের অবস্থার কারণেও খুশকি হয়ে থাকে।একজিমা এবং সোরিয়াসিস এগুলির মধ্যে অন্তর্ভূক্ত।
  • তাপঃ যদি মাথার ত্বক অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে আসে,যেমন ধরুন,সরাসরি সূর্যালোকের নীচে যখন তাকে নিয়ে দাঁড়ান,এটি খুশকিকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
  • আর্দ্রতাঃ আর্দ্রতার অভাবের কারণে বিশেষত শীতকালে,মাথার ত্বক শুকিয়ে গিয়ে খুশকির প্রকোপ বেড়ে যায়।
  • তৈলাক্ত মাথার ত্বকঃ ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে এবং সেটিকে স্বাস্থ্যকর রাখতে সকলের মাথার ত্বকই তেল উৎপাদন করে থাকে।কিন্তু এই তেল উৎপাদনের পরিমাণ যদি অতিরিক্ত হয়ে থাকে,তবে সেটি খুশকির কারণ হয়ে ওঠে।

 

শিশুদের মধ্যে খুশকির সঙ্কেত এবং উপসর্গগুলি

বাচ্চাদের খুসকি হওয়ার বিভিন্ন সঙ্কেত দেখতে পাওয়া যায় যেগুলি আপনি নজরে রাখতে পারেন।সেগুলির মধ্যে কয়েকটি হলঃ

  • মাথার ত্বক,কপাল এবং চোখের পাতার কাছাকাছি অঞ্চলের ত্বকের শুষ্কতা
  • ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব
  • লালচে ভাব
  • চুলকানি
  • ত্বকের উপর সাদা আঁইশাকার স্তরের ন্যায় আস্তরণ

শিশুর মাথার উপর আঁশের ন্যায় আস্তরণ হওয়ার একমাত্র কারণ কি খুশকি?

আপনার সন্তানের মাথার উপরে আঁশের ন্যায় স্তরের উপস্থিতির জন্য খুশকি,এটি একটি অত্যন্ত সাধারণ কারণ হলেও,এটিই একমাত্র কারণ নয়।এর অন্যান্য কারণগুলি হলঃ

  • সানবার্ন বা রোদে পুড়ে ত্বকের ক্ষত
  • শ্যাম্পু করার পরে যথাযথভাবে না ধোয়া
  • ক্র্যাডল ক্যাপ
  • দাদ

খুশকি থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায়সমূহ

শিশুদের খুশকির কিছু ঘরোয়া প্রতিকার যেগুলি আপনি ব্যবহারের চেষ্টা করতে পারেন,সেগুলি হলঃ

  • চুল আঁচড়ানোর চিরুনি বা ব্রাশ এবং শ্যাম্পুঃ একটি নরম ব্রিস্টল বা পশুর লোম দ্বারা প্রস্তুত ব্রাশ বা বাচ্চাদের নরম চিরুনি ব্যবহার করে আপনার সন্তানের মাথার ত্বকটিকে ধীরে ধীরে ব্রাশ করে বা আঁচড়ে ঝেরে দিন।এটি তার মাথা থেকে মৃত আঁইশাকার স্তরকে অপসারিত করবে।এরপর একটি হালকা শ্যাম্পু দিয়ে বাচ্চার চুল ধুয়ে দিন।
  • ওষুধযুক্ত শ্যাম্পুঃ যদি আপনার সন্তানের মাথায় খুশকি ক্রমশ বিস্তৃত হতে থাকে তবে আপনার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে এ ব্যাপারে আলোচনা করুন এবং তাঁকে প্রেসক্রিপশনে একটি ওষুধযুক্ত মেডিকেটেড শ্যাম্পু লিখে দিতে বলুন।আপনার ডাক্তারের নির্ধারিত পরামর্শের সাথে সাথে শ্যাম্পুর বোতলের উপরে উল্লিখিত নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন।
  • কন্ডিশনার ব্যবহার নয়ঃ কোনও অবস্থাতেই আপনার বাচ্চার চুলে কন্ডিশনার ব্যবহার উচিত নয়।আদতে এটি তার চুল এবং মাথার ত্বকের প্রকৃতিকে গুরুতরভাবে পরিবর্তন অথবা ক্ষতিগ্রস্থ করে তুলতে পারে।
  • ধুয়ে পরিষ্কার রাখাঃ একটি নরম তোয়ালে দিয়ে মাথার চুলগুলিকে মুছে শুকনো করে তোলার আগে,শ্যাম্পুর যেকোনও কণাকে খুব ভালভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করার মত যত্ন নেওয়ার ব্যাপারটিকে নিশ্চিত করুন।
  • প্রশমিত করুনঃ কখনও কখনও,প্রভাবিত ত্বকে আঁচড় লেগে যাওয়া অবস্থাটিকে আরো গুরুতর করে তুলতে পারে।সেই জায়গায় নারকেল তেল,অ্যালোভেরা অথবা এমনকি মাখনের মত পণ্যগুলির ব্যবহারও ত্বকের যেকোনও প্রদাহ এবং অস্বস্তিকে লাঘব করে তোলে।

এই ধরণের যেকোনও অবস্থার প্রেক্ষিতে চিকিৎসা শুরু করার আগে একজন ডাক্তারের সাথে আপনাকে আলোচনা করে নেওয়ার দৃঢ় পরামর্শই দেওয়া হয়।খুশকি অথবা অন্য যেকোনও ধরনের ত্বকের সমস্যায় স্ব-নির্ধারিত চিকিৎসা করবেন না এবং সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনার জন্য বিশেষ করে আপনার সন্তানের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারী পরামর্শ গ্রহণ করুন।

প্রায়শই জিঞ্জাসিত প্রশ্নাবলী

১। শিশুদের খুশকি কি সংক্রামক?

যদিও খুশকি ব্যাপারটি একটি দৃষ্টিকটু হতে পারে অথবা এমনকি এটির কারণে আপনার শিশু চুলকানি এবং জ্বালা অনুভব করতে পারে,কিন্তু এটি সংক্রামক নয়। আপনার সন্তান অন্যান্য শিশু এবং বড়দের সাথে ঠিক আগের মতই তার যোগাযোগ বজায় রাখতে পারে।

২। ক্র্যাডল ক্যাপ কি এবং খুশকির সাথে এর পার্থক্য কতটা?

ক্র্যাডল ক্যাপকে আবার ইনফ্যান্টাইল সেবোরিহিক ডার্মিটাইটিস-ও বলা হয়ে থাকে এবং এটি এমন এক প্রকার ত্বকের অবস্থা যা শিশুদের উপর প্রভাব ফেলে।যদিও এটি শুরু হয় মাথার ত্বকের উপরে কিন্তু ক্রমশই সেটি দেহের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।অকস্মাৎ গজিয়ে ওঠা লাল ফুসকুড়ির দ্বারা এটিকে চিহ্নিত করা যায় যা ক্রমশ হলুদ,খসখসে খোলসযুক্ত ত্বকে পরিণত হতে থাকে,যখন স্পর্শ করা হয় আঁশের ন্যায় এই আস্তরনটি উঠতে শুরু করে।যদিও খুশকি যেকোনও বয়সের যে কাউকে যেকোনও সময়েই প্রভাবিত করতে পারে এবং এর জন্য প্রয়োজন হয় তার প্রতি মনোযোগ আকর্ষণের,ক্র্যাডল ক্যাপ সাধারণত শিশুদের জীবনের প্রথম তিন মাসের মধ্যে তাদের উপর প্রভাব ফেলে এবং সেটি শুধুমাত্র তাদের প্রথম এক বছর বয়স পর্যন্তই স্থায়ী থাকে।

যদি খুশকি উপশমের কোনও রকম লক্ষণ ব্যতীত দীর্ঘমেয়াদী হয়ে থাকে অথবা যদি খুশকির কারণে চুল পড়া অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যেতে থাকে তবে অবশ্যই এ ব্যাপারে চিকিৎসা করার দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করা উচিত।আপনার শিশুর ত্বক এবং মাথার ত্বকে আপনি কেবল ভাল মানের ব্র্যান্ডেড পণ্যগুলিই ব্যবহার করবেন তা নিশ্চিত করুন।আপনার সন্তানের মাথার সংবেদনশীল ত্বকটিকে রক্ষা করতে যখনই বাইরে যাবেন তার মাথাটিকে ঢেকে দেবেন।যদি আপনি প্রত্যহ আপনার সোনাকে তেলের মালিশ করে থাকেন,তেলটিকে খুব দীর্ঘ সময়ের জন্য তার দেহে দিয়ে রেখে দেবেন না সেটি নিশ্চিত করার সময় তার মাথার ত্বককেও অবহেলা করবেন না সেটিও নিশ্চিত করুন। আপনার বাচ্চার মাথার ত্বকে হয়ে থাকা খুশকি নিয়ে খুব বেশী চিন্তা করবেন না,কারণ এই অবস্থাটি ঠিক হয়ে যাওয়া সহজ।আপনি যদি এখনও এ ব্যাপারে চিন্তিত হয়ে থাকেন তবে একজন পেডিয়াট্রিক ডার্মাটোলজিস্টের সাথে কথা বলতে পারেন।বাচ্চাদের খুশকি প্রতিরোধে্র একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে স্বাস্থ্যকর থাকা,নিয়মিত তাদের চুল ধুয়ে দেওয়া,যদি চুল খুব রুক্ষ্ম হয়ে ওঠে তেল প্রয়োগ করা এবং এমন ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করা নিশ্চিত করুন যেটি আপনার সন্তানের চুলের ধরনের জন্য একদম উপযুক্ত।

 

শিশুর ডায়াপার র‍্যাশ কমাতে তিন ঘরোয়া উপায়

ছোট্ট শিশুর ত্বক প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় হয়ে তাকে অনেক বেশি স্পর্শকাতর। শিশুর তুলতুলে ত্বকে তাই যখন তখনই হতে পারে জীবাণুর সংক্রমণ। এরকম সংক্রমণ থেকেই দেখা দেয় ডায়পার র‌্যাশ, আধুনিক মায়েরা যেটি নিয়ে চিন্তায় থাকেন সারাক্ষণ।

সাধারণত অপরিস্কার দীর্ঘক্ষণ পরিয়ে রাখাই ডায়পার র‌্যাশের অন্যতম কারণ। আট ঘণ্টা পেরুনোর আগেই নিয়মিতভাবে শিশুর ডায়পার বদলে দিলে এই সমস্যা থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও প্রতিবার ডায়পার বদলানোর সময় ভালো করে শিশুকে পরিস্কার করানোটাও ডায়পার র‌্যাশ প্রতিরোধে কার্যকর।

এরপরও শিশু ডায়পার র‌্যাশে আক্রান্ত হলে তিনটি সাধারণ ঘরোয়া টোটকায় তা সারানো যায় সহজেই।

নারকেল তেল

ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে নারকেল তেল খুবই কার্যকর একটি উপাদান। এটি ডায়াপার র‍্যাশের জন্য হওয়া ফাঙ্গাস ক্যানডিডার সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। দুই টেবিল চামচ নারকেল তেল তিন থেকে পাঁচ ফোঁটা চা গাছের তেলের সঙ্গে মেশান। ত্বকের মধ্যে এটি মাখুন। কিছুক্ষণের জন্য ত্বকে রাখুন। দিনে কয়েকবার এটি করতে পারেন।

গরম পানির গোসল

ডায়াপার র‍্যাশের সমস্যা কমাতে শিশুকে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করান। এ ছাড়া একটি বোলে হালকা গরম পানি নিয়ে (শিশুর জন্য সহনশীল এমন গরম পানি) শিশুকে কিছুক্ষণ উবু করে রাখতে পারেন। দিনে তিনবার এমন করলে শিশু অনেকটা স্বস্তিবোধ করবে।

দই, বেকিং সোডার প্যাক

র‌্যাশের স্থানটি পরিস্কার করে তার উপর এক থেকে দুই টেবিল চামচ টক দই লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এবার বেকিং সোডার প্রলেপ লাগান ওই স্থানে এবং এক ঘণ্টা রাখুন। সবশেষে স্থানটি পরিস্কার করে মুছে জলপাইয়ের তেল লাগান।

সূত্র: বোল্ডস্কাই

 

অ্যান্টিসেপটিক গোসল কি শিশুর জন্য ক্ষতিকর নাকি উপকারী?

প্রত্যেক সচেতন মা-ই শিশুর বিষয়ে যত্নশীল থাকেন।

সেই যত্নের একটি পর্ব হচ্ছে গোসল। অতি সচেতন মায়েরা শিশুর ভালো করতে গিয়ে অনেক সময় অ্যান্টিসেপটিক সাবান ব্যবহার করেন। আবার কেউ কেউ গোসলের পানিতে দু-এক ফোঁটা ডেটল অথবা স্যাভলন ছেড়ে দেন। এসবের উদ্দেশ্য হচ্ছে, শিশুকে জীবাণুমুক্ত রাখা।

পরিষ্কার গোসলের জন্য পানিতে অ্যান্টিসেপটিক সলিউশন দিলে শিশুর ত্বকের ক্ষতি হয়। ত্বকের অ্যালার্জির রিঅ্যাকশন হয়ে র‍্যাশ বা চাকার মতো লাল হয়ে ফুটে ওঠে। শিশুর ত্বকে অনেক আণুবীক্ষণিক জীবাণু রয়েছে।

এগুলোর কোনো কোনোটি আবার দেহের জন্য প্রয়োজনীয়। অ্যান্টিসেপটিক গোসলে এগুলো মারা যায়। এতে ত্বকের প্রতিরক্ষা খর্ব হয় এবং চর্মরোগ দেখা দেয়। তাই সাধারণ টয়েলেট সোপ গ্লিসারিন সোপ বা বেবি সোপ দিয়ে শিশুকে গোসল করানোই ভালো।

আর গোসলের পানিতে অ্যান্টিসেপটিক সলিউশন কিংবা অ্যান্টিসেপটিক সাবান ব্যবহারে লাভ নেই; বরং তাতে শিশুর ত্বকের ক্ষতিই হয়।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ।

সূত্রঃ NTV

 

 

 

শিশুদের জন্য শীতের যত্নের গাইড

শীতের কনকনে ঠান্ডা ও শীতল দিনগুলি ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে আপনার ছোট শিশুর স্বাস্থ্যের ব্যাপারে আপনার উদ্বেগ বেড়ে ওঠার সম্ভাবনাও প্রবল হতে থাকে।শীতকালে আপনার সন্তানের কীভাবে যত্ন নেওয়া যায় সে সম্পর্কে আপনি হয়ত আপনার আত্মীয়স্বজন এবং সমকক্ষ বাবামায়েদের কাছ থেকে প্রচুর পরামর্শ ও উপদেশ পাবেনযা আপনাকে সেই সকল চ্যালেঞ্জ গ্রহণের দায়িত্ব নেওয়ার মতো করে হয়ত সত্যই প্রস্তুত করতে পারে নাবরং আপনাকে আরও সন্দেহের গোলকধাঁধার মধ্যে ফেলে দেয়!

শিশুদের দেহ অত্যন্ত ঠুনকো ও নশ্বর প্রকৃতির হয়ে থাকে এবং তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিকাশের পর্যায়ে থাকায় একটুতেই অসুস্থ হয়ে পড়ার এবং ঋতুর পরিবর্তনের সাথে সাথে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তাদের বেশি থাকেবিশেষকরে শীতকালেআপনি হয়ত এই ঋতুর শীতল বাতাস ও আবহাওয়াটিকে বেশ পছন্দ করতে পারেন এবং আপনার বাড়ি থেকে বাইরে বেরোতে চাইতে পারেনতবে আপনার ছোট শিশুর পক্ষে সেটি সেরা ধারণা নাও হতে পারে।এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই যেআপনি যতটা সম্ভব সর্বোত্তম উপায়েই আপনার সন্তানের যত্ন নিচ্ছেনতবে শীতের সময় তার জন্য প্রয়োজন একটু অতিরিক্ত” মাত্রায় ভালবাসা এবং যত্ন।আর আপনি কীভাবে তাকে তা দিতে পারেন তা এখানে বলা হল!

শীতে শিশুর যত্ন নেওয়ার 10 টি টিপস

শীতকালে পারদমাত্রা কমে যাওয়ার ফলে আপনার শিশুর সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায় এবং সে অসুস্থ হয়ে পড়েআর সেই কারণে একজন মাবাবা হিসাবে তার স্বাস্থ্যের ব্যাপারে আপনাকে আরও এক মাইল অতিরিক্ত পথ হাঁটতে হবে।আপনি কীভাবে শীতে আপনার শিশুর যত্ন নিতে পারেন এবং সারা শীতকাল ব্যাপী প্রতিটি দিনই সারাদিন ধরে তাকে নিরাপদসুরক্ষিত এবং উষ্ণ রাখতে পারেন তার একটি সহজ গাইডলাইন এখানে দেওয়া হল

১. আপনার শিশুকে গরম ও আরামদায়ক পোশাক পরান

শীতের কনকনে ঠান্ডার কামড়ের হাত থেকে আপনার শিশুকে রক্ষা করতে স্বভাবতই আপনার সুস্পষ্ট পছন্দ হয়ে উঠবে তাকে মোটা সোয়েটারদস্তানামোজা এবং আর কী দিয়ে না তাকে ঢেকে রাখা।এইসকল শীতকালীন প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় হলেও খুব বেশি উষ্ণতা আবার তাকে অস্বস্তি বোধ করাতে পারে। প্রথমেঘরের তাপমাত্রা মূল্যায়ন করুন এবং সেই অনুযায়ী আপনার শিশুকে পোশাক পরান।তাকে এমন পোশাক পরিধান করান যা তার দেহটিকে ঢেকে রাখে তবে তার চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে না।তাকে বিছানায় রাখার সময়তার দস্তানা এবং মোজাগুলি পরিয়ে দিন কারণ এগুলি তার হাত ও পায়ের পাতাগুলি গরম রাখে এবং তাকে নির্বিঘ্নে আরামদায়কভাবে ঘুমাতে সাহায্য করে

২. তার ঘরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখুন

আপনার বাড়িতেবিশেষত আপনার শিশুর ঘরটিকে উষন রাখার জন্য সেখানে গরম তাপমাত্রা বজায় রাখুন।শীতের শুরু থেকেইশীতল বাতাস সমস্ত দিক থেকে বয়ে আসার আগে হিটারহিউমিডিফায়ার এবং গিজারের মতো সমস্ত গরম করার সরঞ্জামগুলি যে কার্যকরী অবস্থায় রয়েছে তা নিশ্চিত হয়ে নিন।আপনি যদি এমন কোনও জায়গায় বসবাস করেন যেখানে বেশিরভাগ রাতেই ঠাণ্ডায় জমে যাওয়ার মতো কনকনে ঠাণ্ডা পড়েতবে জানালাগুলি বন্ধ রাখুন এবং হিটারটি চালিয়ে দিন।আপনি যদি আপনার শিশুর ঘরে হিটার ব্যবহার করেন তবে ঘরের তাপমাত্রা তার পক্ষে স্বাচ্ছন্দ্যজনক কিনা তা পরীক্ষা করে দেখুন – এটি খুব বেশি গরম হওয়া উচিত না।এছাড়াওআপনার শিশুর ঘরটিকে বায়ুচলাচল উপযুক্ত রাখুন

৩. আপনার শিশুকে ম্যাসাজ করুন

শীতকালে আপনার ছোট্টটিকে ম্যাসাজ করার ব্যাপারে আর কোনও দ্বিতীয় চিন্তাভাবনা করার প্রয়োজন নেইকারণ একটা মালিশ তার ত্বক এবং স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী হয়ে উঠতে পারে।ভিকস বেবিরাবএর মতো একটি প্রশমনকারী বাম দিয়ে আপনার শিশুকে ম্যাসেজ করলে তা তার ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখতে এবং সেটি শুকিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে।আবার নিয়মিত ম্যাসেজ তার দেহে রক্ত ​​প্রবাহকে উদ্দীপিত করতে এবং তার রোগ প্রতিরোধ কার্যক্ষমতার উন্নতি করতে সহায়তা করবে।সুতরাংবাচ্চাকে মালিশ করা বাদ দেবেন না।যাইহোকতবে ম্যাসেজের জন্য সময় এবং স্থানটি যথাযথভাবে বিবেচনা করুন।আদর্শগতভাবেআপনার বাচ্চা যখন খেলার মেজাজে ও আনন্দপূর্ণ হয়ে থাকে তখন তাকে ম্যাসেজ করুন।এছাড়াওশিশুকে মালিশের জন্য এমন একটি ঘর চয়ন করুন যেটি তার পক্ষে পর্যাপ্ত উষ্ণ এবং আরামদায়ক

আপনার শিশুকে ম্যাসাজ করুন

৪. স্তন্যপান করানকারণ এটি আপনার শিশুর পুষ্টির প্রধান উৎস

আদর্শগতভাবে বাচ্চার ছয় মাস বয়স পর্যন্ত তার মায়ের বুকের দুধই তার জন্য পুষ্টি এবং অ্যান্টিবডিগুলির একমাত্র উৎস হওয়া উচিত।বুকের দুধ এমনকি আবার শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সর্দিকাশি ও সংক্রমণ থেকে তাকে দূরে রাখেসুতরাংআপনার বাচ্চাকে যতটা সম্ভব স্তন্যপান করান।যদি আপনার শিশুটি ছয় মাসের সীমারেখাটি অতিক্রম করে থাকেতবে আপনি তার ডায়েটে গরম তরল অন্তর্ভুক্ত করার সাথে স্তন্যপান পান করানোকেও বজায় রাখতে পারেন।এটি তাকে অতিরিক্ত পুষ্টি সরবরাহ করবে এবং শীতকালে তাকে নিরাপদসুরক্ষিত এবং উষ্ণ রাখবে

৫. সংক্রমণের কোনওরূপ লক্ষণের দিকে নজর রাখুন

শিশুদের শীতকালে সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকেএর মূলে যে বিষয়টি রয়েছে তা হল এই যেতাদের প্রতিরোধ ক্ষমতার মাত্রাটি থাকে কম।আপনি যদি আপনার বাচ্চার ঘুমের সময় তাকে জোরে জোরে শাঁ শাঁ শব্দের সাথে শ্বাস ফেলতেমারাত্মক কাশতে লক্ষ্য করেন অথবা শ্বাসকষ্ট জনিত অসুবিধা হতে দেখেনসেক্ষেত্রে সে হয়ত কোনও সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেঅবিলম্বে আপনার বাচ্চাকে তার চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।আর যদি এটি একটি সাধারণ সর্দিকাশি হয় এবং অবস্থাটি খুব তীব্র না হয় তবে আপনি ঘরোয়া প্রতিকারগুলি বেছে নিতে পারেন। একটা সাধারণ সর্দিকাশিও আপনার শিশুর ঘুমের ধরণকে ব্যাহত করতে পারে এবং তা পরের দিন তাকে ক্লান্ত এবং বিপর্যস্ত করে তুলতে পারেতাই তাকে রাত্রে ঠিকমতো বিশ্রাম পেতে সহায়তা করার জন্য ভিক্স ভেপোরাব** (2 বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জন্য উপযুক্তদিয়ে তার গলাবুক এবং পিঠের উপর একটা হালকা মালিশ করে তার গায়ে একটা হালকা কম্বল জড়িয়ে দিন।মেন্থল এবং ইউক্যালিপটাস তেলের প্রাকৃতিক গুণ আপনার শিশুকে কোনওরকম অসুবিধা ছাড়াই শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে এবং কাশি থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করবে। মাস বা তারও বেশি বয়সী বাচ্চাদের জন্য আপনি ভিকস বেবিরাব ব্যবহার করতে পারেন যা কোনও শিশুকে ময়েশ্চারাইজপ্রশমিত ও শান্ত করতে সহায়তা করে।বেবিরাব এবং আপনার স্নেহের স্পর্শ যৌথভাবে আপনার শিশুকে ময়েশ্চারাইজ করবে আর এই বামের ল্যাভেন্ডার এবং রোজমেরির সুবাস তাকে শিথিল করতে এবং ঘুমাতে সহায়তা করবে।

৬. টিকাদানের সময়সূচী মেনে চলুন

শীতকালে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মাত্রা হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে তার ঠান্ডা লাগা বা সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়অতএবএকটি অতিরিক্ত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসাবেতাকে অবশ্যই নির্ধারিত তারিখগুলিতে টিকা দেওয়াতে হবে।সঠিক সময়ে সঠিক টিকাদান করলে তা তাকে সারা জীবন সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করবেসুতরাংআপনার শিশুর টিকাদানের কোনও একটি সময়সূচীকেও এড়িয়ে যাবেন না

৭. হালকা কম্বল ব্যবহার করুন

শীতকালেআপনার স্বাভাবিক প্রবৃত্তিটি হল আপনার বাচ্চাকে বেশ কয়েক স্তরের আস্তরণ দিয়ে ঢেকে রাখা এবং তার ঘুমের সময় তার গায়ে একটা ভারী কম্বল চাপা দিয়ে দেওয়াকিন্তু এটা আপনার ছোট্ট শিশুর পক্ষে সবচেয়ে ভাল কিছু নাও হতে পারে।মোজা এবং দস্তানাগুলির সাথে তাকে উষ্ণ রাখার সময়ভারী কম্বলটি চাপা দেওয়াএকেবারেই না – এটি তার পক্ষে দমবন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং আপনার শিশুর জন্য এসআইডিএস হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।সুতরাংআপনার শিশুর জন্য হালকা কম্বল ব্যবহার করুন এবং ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখুন

হালকা কম্বল ব্যবহার করুন

৮. আপনার শিশুকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে যা পরাবেন এবং যেভাবে তার যত্ন নেবেন

একান্ত প্রয়োজন না হলে আপনার শিশুকে বাইরের ঠান্ডাকনকনে বাতাসের মধ্যে নিয়ে বের করা এড়িয়ে চলুন।তাকে নিরাপদে বাড়িতেই সুরক্ষিত রাখুন।যদি তাকে নিতান্তই বাইরে নিয়ে যেতে হয় তবে তাকে গরম পোশাক পরান – তার বুককানহাত এবং পা ঢেকে রাখুন।জরুরী কিছু না থাকলেদুপুরে বা পরে যে কোনও সময় যখন ঠাণ্ডা বাতাস বওয়া হ্রাস পায়তখন তাকে বাইরে নিয়ে যান।আর আপনি যদি আপনার শিশুকে নিয়ে বাইরে হাঁটার কোনও পরিকল্পনা করেন তবে তাকে একটি শিশুধারক ঝোলা বা বেবিওয়ারিং স্লিংএর মধ্যে রেখে আপনার বুকের কাছাকাছি ধরে রাখুন কারণ আপনার শরীরের উষ্ণতা তাকে উষ্ণ এবং স্বাচ্ছন্দ্যে রাখবে।

৯. আপনার নিজস্ব স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন

যদিও শিশুর জন্য শীতের যত্ন নেওয়ার সেরকম বিশেষ কোনও পরামর্শ নেইতবে এটি উল্লেখ করাটাও দরকার।আপনি অনেকটা সময়ই আপনার শিশুর সাথে ব্যয় করেনতাই আপনার শিশুর মঙ্গলার্থেই আপনাকে পরিষ্কার এবং সুস্থ থাকতে হবে। আপনার শিশুকে কোলে নেওয়ার বা ধরার আগে আপনার হাতগুলি ভালোমতো ধুয়ে নিন (সম্ভব হলে স্যানিটাইজ করুন)পরিবারের যে কোনও সদস্য বা বাড়িতে আগত অতিথিদের যেকোনও ব্যক্তির থেকেই তার মধ্যে সংক্রমণ হয়ে যেতে পারেতাই শিশুর কাছে যাওয়ার আগে বিনয়ের সাথে তাদের হাত ধুতে বলুনপ্রতিরোধ হল সর্বোত্তম যত্ন যা আপনি আপনার একরাশ আনন্দের এই ক্ষুদ্র ডালিটিকে দিতে পারেনতাই স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন এবং রোগজীবাণু থেকে দূরে থাকুন

১০. গোসল করান তবে কদাচিৎ

যদি গোসল করানোর পরে আপনার বাচ্চার দিকে সেভাবে মনোযোগ না দেওয়া হয় তবে তার সর্দিকাশি হয়ে যেতে পারে। শীতের সময় আপনার বাচ্চাকে মাঝেমধ্যে গোসল করান।হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন এবং বাথরুম ও ঘরের তাপমাত্রার মধ্যে একটা ভারসাম্য বজায় রাখুন। গোসলের পরেতাকে একটা তোয়ালে জড়িয়ে রাখুন এবং আরও বেশি দেরি না করে চটপট তাকে পোশাক পরিয়ে দিন।শীতকালে তাকে স্পঞ্জ গোসল করানোটাই সবচেয়ে ভালআর আবহাওয়া যদি খুব শীতল বা ঠান্ডা হয় তবে সেটি এড়ানোই ঠিক হবে!

শীতকালে আপনার বাচ্চার যত্ন নেওয়ার ব্যাপারে আপনাকে একটু অতিরিক্তই যত্নশীল হয়ে উঠতে হবেআবার মাঝেমধ্যে অত্যধিক সতর্কতাও অবলম্বন করা প্রয়োজন।কিন্তু আপনার বাচ্চা যতক্ষণ উষ্ণ এবং নিরাপদে সুরক্ষিত থাকেততক্ষণ এসব কিছুই ঠিক আছে।শীতের সুন্দর দিনগুলিতে আপনার শিশুর ভালভাবে যত্ন নেওয়ার জন্য উপরে উল্লিখিত নির্দেশিকাটি অনুসরণ করুন আর আপনার বাচ্চা যদি একদুবার হাঁচিও দেয় অযথা আতঙ্কিত হবেন না।

প্রসবের পরে প্রথম কিছু দিন মাবাবার পক্ষে খুব কঠিন হয়ে পড়ে।আপনার শিশুর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চাহিদাগুলিকে অনুধাবন করতে এবং তার কান্নার পার্থক্য বুঝতে আপনার কয়েক দিন সময় লাগবে কারণ তার প্রতিটি অসুবিধাই তারা তাদের ‘কান্নার’ মাধ্যমে প্রকাশ করে।তবে আপনি তা আপনার অভিজ্ঞতা দিয়েই শিখে যাবেন।তদুপরিকোনও শিশুর যত্ন নেওয়ার ব্যাপারে সেরকম কোনও স্থির ও নির্ধারিত উপায় নেই।আপনার নির্ধারিত পন্থাগুলির উপর বিশ্বাস ও আস্থা রাখুন এবং কোনওরকম প্রশ্ন থাকলে আপনার শিশুর চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ

*অসতর্কতায় বা দুর্ঘটনাক্রমে গভীরে প্রবেশ করা বা হাঁটার সময় পিছলে যাওয়া এড়াতে প্রয়োগের স্থানগুলি হালকা করে আচ্ছাদিত রাখুন।সতর্কতার সাথে নির্দেশাবলী পড়ুন।নির্দেশ অনুসারে ব্যবহার করুন।

** সর্বদা ওষুধের লেবেল পড়ে নিনশুধুমাত্র নির্দেশ অনুসারে তা ব্যবহার করুন।লক্ষণগুলি যদি অব্যাহত থাকে তবে তা আপনার ডাক্তারবাবু অথবা একজন স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারকে দেখান।